দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৭ সেপ্টেম্বর–১ অক্টোবর) প্রধান মূল্যসূচকগুলোর পাশাপাশি বাজার মূলধনও কমেছে। একই সঙ্গে আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে দৈনিক গড় ও মোট লেনদেনের পরিমাণ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনার তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ৪৬৩৬ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এদিকে, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৬ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৫৩১ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে সূচকটির অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৫৭৮ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, ডিএস৩০ সূচক ৮ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ কমে ২ হাজার ১০৩ দশমিক ৫৫ পয়েন্টে এবং ডিএসইএস সূচক ১৫ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে ১ হাজার ১০০ দশমিক ২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া ডিএসইর এসএমই সূচক ডিএসএমইএক্স ১২ দশমিক ১০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৮ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ৫৩০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯২৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে মোট লেনদেন কমেছে প্রায় ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ।
এ সময়ে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৭০৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৭৮৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। অর্থাৎ দৈনিক গড় লেনদেনও কমেছে ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ।
এ ছাড়া সপ্তাহে গড়ে প্রতিদিন ২২ কোটি ৬৩ লাখ শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের ২৭ কোটি ৩৭ লাখ শেয়ার ও ইউনিটের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ কম।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৮৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। বিপরীতে ২৮০টির দর কমেছে। আর ১৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনে অংশ নেয়নি ২৮টি প্রতিষ্ঠান।
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক কম ছিল। ফলে বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর বাজারে সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.