সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ফোরকানের দোকান, সোনালী বাজার, সিকদারপাড়া এবং চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ত্রাণ হিসেবে খাদ্যসামগ্রী, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসব সহায়তা পেয়ে স্থানীয় বন্যাকবলিত পরিবারের সদস্যরা হামদর্দের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং দুর্যোগের সময় পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ত্রাণ বিতরণকালে হামদর্দের কর্মকর্তারা বলেন, মানবকল্যাণই প্রতিষ্ঠানের মূল দর্শন। দেশের যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে থেকে তাদের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করাই হামদর্দের অঙ্গীকার। সেই ধারাবাহিকতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পেকুয়া ও চকরিয়ার মানুষের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
তারা আরও জানান, হামদর্দের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকিম মো. ইউসুফ হারুন ভূঁইয়ার সেবা ও সহমর্মিতার আদর্শ অনুসরণ করে প্রায় দুই হাজার বন্যাদুর্গত পরিবারের কাছে ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু বন্যার সময় নয়, বছরজুড়েই বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
হামদর্দের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব মার্কেটিং অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।
হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ জানায়, মানবসেবার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, মানবিক সহায়তা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো মানবিক সংকটে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.