২০২৩ সালের ১৭ জুন একদল মেধাবী ও স্বপ্নবান ডিজিটাল গণমাধ্যমকর্মীর প্রচেষ্টায় আত্মপ্রকাশ করে ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম (ডিএমএফ)। আজ সংগঠনটি সফলভাবে তিন বছর পূর্ণ করে চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করেছে।
আমার আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে রয়েছে আমাদের প্রাণের সংগঠন ডিএমএফ-এর সকল সদস্য, উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা, আস্থা ও নিরন্তর সমর্থন। তাদের প্রত্যেকের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
আমাদের অগ্রজ, অণুজ, অনুসারী ও সহযোদ্ধারাই বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে পাশে থেকে এই সংগঠনের পথচলাকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করেছেন। তাদের সহযোগিতা ও উৎসাহেই আমরা আজ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছি।
গত তিন বছরে আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল নির্যাতিত, বেকার ও বিপর্যস্ত সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো। সেই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫৭ জন সহকর্মীর কর্মসংস্থান বা আয়ের সুযোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পেরেছি। যে কোনো সংকটময় মুহূর্তে সহকর্মীদের পাশে থাকার অঙ্গীকারও আমরা অব্যাহত রেখেছি।
সমাজ ও পেশাজীবনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহ ও স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে আমরা নিয়মিতভাবে “এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড” প্রদান করে আসছি। বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক ও কলামিস্টদের এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ডিএমএফ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ এবং ডিএমএফ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫। আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, চলতি বছরেও এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যার বিস্তারিত খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, দেশের ডিজিটাল মিডিয়া ইকোসিস্টেমের উন্নয়ন ও পেশাগত মানোন্নয়নে আমাদের সকলেরই সম্মিলিত ভূমিকা রয়েছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডিএমএফকে আরও সুসংগঠিত, আধুনিক ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সকল সদস্য, শুভানুধ্যায়ী, সহযোগী ও সমর্থকদের প্রতি রইল তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.