চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমির হোসেন আমুসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ২২ নভেম্বর আমুসহ ছয় জনকে হাজির এবং পলাতক মির্জা আজমের গ্রেফতারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। এর আগে ২ নভেম্বর ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।
অভিযোগ আমলে নেওয়া অন্যরা হলেন- সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক পর্যটন মন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
এর আগে ২৬ অক্টোবর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আমির হোসেন আমুসহ সাত জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে দাখিল করা হয়েছে। সেটি নিয়ে আমরা ফরমাল চার্জ প্রস্তুত করেছি। তাদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা মিটিংয়ে ছিলেন। জুলাই গণহত্যার সিদ্ধান্তে তারা ছিলেন। এসব অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে আছে। এর মধ্যে দীপু মনি ও আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামি হিসেবে রয়েছেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.