রাজধানীর ধানমন্ডিতে অ্যাপোলো হসপিটালস চেন্নাই ও অ্যাপোলো ক্লিনিকের যৌথ উদ্যোগে চিকিৎসকদের জন্য আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শিশু ইউরোলজি ও শিশু অর্থোপেডিকস সার্জারির আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ধানমন্ডিতে অ্যাপোলো ক্লিনিক প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) কর্মসূচিতে দেশের প্রায় ১০০ জন চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চিকিৎসক ও পরামর্শক চিকিৎসক অংশ নেন। চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হসপিটালস এবং অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল পিএলসি যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
সেমিনারে দুটি বৈজ্ঞানিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে একটি ছিল শিশুদের নিতম্বের বিভিন্ন সমস্যা ও হাড়ের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার নিয়ে। অন্য অধিবেশনে শিশুদের মূত্রতন্ত্রের চিকিৎসায় আধুনিক পদ্ধতি ও অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হসপিটালসের শিশু ইউরোলজি সার্জন ডা. জিমি শ্যাদ এবং শিশু অর্থোপেডিকস সার্জন ডা. শাংকার আর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামজীদ আলম।
অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ক্লিনিকটি ২২ হাজারের বেশি বহির্বিভাগের রোগীকে সেবা দিয়েছে, ২ হাজার ৫০০-এর বেশি অন্তর্বিভাগের রোগীর চিকিৎসা করেছে এবং ১ হাজারের বেশি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছে।
ক্লিনিকটির দাবি, অস্ত্রোপচারের পর সংক্রমণের হার ১ শতাংশের কম। রোগীর নিরাপত্তা ও চিকিৎসাসেবার মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধরা হয়।
জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল পিএলসি ও অ্যাপোলো হসপিটালসের যৌথ অংশীদারত্বের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ বাড়ানো এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন কমানো।
আয়োজকদের আশা, এ দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশে চিকিৎসা পর্যটনের সম্ভাবনা বিকাশেও সহায়ক হবে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.