টোল চুক্তিতে অনিয়মের অভিযোগ, শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আজ

মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। মামলায় শেখ হাসিনাসহ সাবেক মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাটি তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর আগে ২৩ জুন প্রতিবেদন দাখিলের দিন থাকলেও তা জমা দিতে পারেনি সংস্থাটি। পরে আদালত নতুন করে ২০ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেন। দুদক ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর মামলাটি করে।

দুদকের অভিযোগ, ২০১৬ সালে আগের দরপত্র বাতিল করে একক উৎসভিত্তিক প্রক্রিয়ায় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস (সিএনএস) লিমিটেডকে পাঁচ বছরের জন্য টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। চুক্তিতে আদায় করা মোট টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটি ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল নেয়।

দুদকের হিসাবে, ২০১০ থেকে ২০১৫ সালে একই সেতুর টোল ব্যবস্থাপনায় ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর ২০২২ থেকে ২০২৫ মেয়াদে একই ধরনের কাজের জন্য ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডকে তিন বছরে ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পাঁচ বছরের হিসাবে এ ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

এই তুলনামূলক হিসাবের ভিত্তিতে দুদক অভিযোগ করেছে, সিএনএসকে একক উৎসভিত্তিক চুক্তি দেওয়ায় সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকা ক্ষতি হয়েছে। মামলায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগও আনা হয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.