অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর ফাঁকির ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধ করতে বলা হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে এ আবেদন জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে আদালত এ রায় দেন।
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গ্রামীণ কল্যাণের করা ওই দুটি রিট খারিজ করে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে ওই বছরের ২৯ আগস্ট তা প্রত্যাহার করে নেন একই বেঞ্চ। কারণ হিসেবে বলা হয়, দ্বৈত বেঞ্চের দ্বিতীয় বিচারপতি একসময় এসব মামলায় সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যেহেতু তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, সুতরাং রায়টি ডিফেক্টিভ (ত্রুটিপূর্ণ) হবে।
তখন প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭—এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.