৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে জর্ডানের আল আজরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৯টি মার্কিন যুদ্ধবিমানের আনশিক বিধ্বস্ত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মার্কিন সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম সিবিএসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আল আজরাকের মুয়াফ্ফাক সালতি বিমান ঘাঁটির একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট নজরদারি বিমানের একটি ডানা উড়ে গেছে। এ ছাড়া ৮টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পৃথক এক্সবার্তায় সিবিএসের প্রতিবেদক জেনিফার জ্যাকবস বলেন, হরমুজে মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধজাহাজে ইরানি হামলার পাল্টা জবাব দিতে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের ৫টি ট্যাংকার জাহাজ অকেজো করে দেয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর জর্ডানের মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড ফোর্স (আইআরজিসি)।
তিনি আরও বলেন, ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে আল আজরাকের বিমান ঘাঁটির সেনারা ৩০টিরও বেশি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বুধবার সকালে এক বিবৃতিতে জর্ডানের প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করে, ইরান থেকে মোট ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। জর্ডানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে সেগুলোর মধ্যে ১৮টিকে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো সম্ভব হয়নি, সেগুলো এমন এলাকায় পতিত হয়েছে যেখানে কোনো লোকজন বসবাস করে না। ফলে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জনজীবন কিংবা কোনো অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.