আটকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার দেখানো না হলে সেটিকে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুম আইনে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন আইনে পুরনো অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম আইন যেটা গতকাল (৬ সেপ্টেম্বর) পাশ হয়েছে, সেই আইনকে স্বাগত জানাই। এই আইন একটি মাইলফলক। এর আগে গুম অধ্যাদেশ ছিল, যেটার বাস্তব প্রয়োগ আমরা দেখিনি। বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেভাবেই গুম আইন পাশ করেছে জাতীয় সংসদ।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার, যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য এই গুম আইন কার্যকরী হবে। বিচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন সাংঘর্ষিক হবে না। নতুন আইনে পুরাতন অভিযোগগুলো বিচার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হবে কোন প্রক্রিয়ায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিডিউরে তা পরিষ্কার করে বলা নেই। ভবিষ্যতের জাজমেন্টে সুস্পষ্ট নির্দেশনা এলে এ ব্যাপারে সুষ্ঠু সমাধান সম্ভব হবে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.