ধ্বংসস্তূপের মাঝে ৩ বছর পর মাঠে ফিরল ফিলিস্তিনের ফুটবল

প্রায় তিন বছর স্থগিত থাকার পর আবার মাঠে ফিরেছে ফিলিস্তিনের ফুটবল। ইসরায়েলের গণহত্যার কারণে দীর্ঘ বিরতির পর অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা এবং লেবাননের শরণার্থী শিবিরগুলোতে ক্লাব পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনের খেলোয়াড়, কোচ ও রেফারিসহ হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ নিহত হয়েছেন। পশ্চিম তীর, গাজা ও প্রবাসী ফিলিস্তিনি অঞ্চল থেকে মোট ২৪৪টি ক্লাব এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ‘থাউজ্যান্ড মার্টার্স কাপ’ বা ‘হাজার শহিদের কাপ’ নামে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। গত ১ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন শাখায় একই সময়ে গ্রুপ পর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তিনটি এলাকাতেই একই সময়ে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেরুজালেমের উত্তরে আল-রাম শহরের ফয়সাল আল-হুসেইনি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জাবাল আল-মুকাবের মুখোমুখি হয় শাবাব আল-খলিল। অন্যদিকে, মধ্য গাজার ইত্তিহাদ দেইর আল-বালাহ ক্লাবের স্টেডিয়ামে শাবাব রাফাহর বিপক্ষে খেলেছে খাদামাত রাফাহ।

ফিলিস্তিনি স্পোর্টস মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুস্তাফা সিয়াম বলেন, এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিন মৌসুমেরও বেশি সময় স্থগিত থাকার পর আবারও ক্রীড়া কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যুদ্ধে ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে খেলোয়াড়, কোচ ও রেফারিসহ ১০০০-এর বেশি ক্রীড়াবিদ নিহত হয়েছেন।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.