চাপের মুখে উদ্ধারকাজে বিদেশিদের সীমিত সহায়তা নিল নেপাল

বন্যা ও ভূমিধসে শত শত মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে উদ্ধারকাজে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সীমিতভাবে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে নেপাল। বিশেষ করে বিদেশি নাগরিকদের সন্ধান, ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞ দলের সহযোগিতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে নেপাল সরকার বিদেশি উদ্ধারকারী দলের সহায়তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে দুর্যোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিক নিখোঁজ থাকায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক চাপের পর অবস্থান পরিবর্তন করেছে দেশটি।

গত বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপাল সরকার জানিয়েছিল, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীগুলোই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যথেষ্ট সক্ষম। এ কারণে অন্য কোনো দেশকে উদ্ধারকারী দল পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে একদিনের মধ্যেই সেই অবস্থান থেকে সরে আসে সরকার।

নেপালের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশটির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ব্যাপক চাপ ছিল, বিশেষ করে যেসব দেশের নাগরিকরা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের পক্ষ থেকে। এ কারণে উদ্ধারকারী দল ও বিশেষজ্ঞদের নির্দিষ্ট কিছু কাজে সীমিতভাবে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

দুর্গম টানেলে উদ্ধার অভিযান, নিখোঁজদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা এবং ফরেনসিক কার্যক্রমে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হবে। তবে সব ধরনের বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মূল্যায়নের ভিত্তিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর সবুজ সংকেত দিয়েছে নেপাল সরকার। আরও কয়েকটি দেশ ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর আগ্রহ জানালেও তাদের সব আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।

এদিকে শনিবার (২৯ আগস্ট) পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে নেপালে বন্যায় ৬২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৯৭৭ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ৩১টি দেশের ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

নেপাল পর্যটন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭৮ জন ভারতীয়। এছাড়া ৬৫ জন মার্কিন, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৩৫ জন অস্ট্রেলীয় এবং ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন।

বিদেশি নাগরিকদের বড় সংখ্যায় নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নেপালের উদ্ধার কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট করেছে। ফলে শুরুতে বিদেশি সহায়তা প্রত্যাখ্যান করলেও এখন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিদেশি দক্ষতা কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

বন্যা ও ভূমিধসে শত শত মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে উদ্ধারকাজে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সীমিতভাবে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে নেপাল। বিশেষ করে বিদেশি নাগরিকদের সন্ধান, ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞ দলের সহযোগিতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে নেপাল সরকার বিদেশি উদ্ধারকারী দলের সহায়তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে দুর্যোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিক নিখোঁজ থাকায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক চাপের পর অবস্থান পরিবর্তন করেছে দেশটি।

গত বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপাল সরকার জানিয়েছিল, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীগুলোই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যথেষ্ট সক্ষম। এ কারণে অন্য কোনো দেশকে উদ্ধারকারী দল পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে একদিনের মধ্যেই সেই অবস্থান থেকে সরে আসে সরকার।

নেপালের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশটির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ব্যাপক চাপ ছিল, বিশেষ করে যেসব দেশের নাগরিকরা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের পক্ষ থেকে। এ কারণে উদ্ধারকারী দল ও বিশেষজ্ঞদের নির্দিষ্ট কিছু কাজে সীমিতভাবে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

দুর্গম টানেলে উদ্ধার অভিযান, নিখোঁজদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা এবং ফরেনসিক কার্যক্রমে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হবে। তবে সব ধরনের বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মূল্যায়নের ভিত্তিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর সবুজ সংকেত দিয়েছে নেপাল সরকার। আরও কয়েকটি দেশ ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর আগ্রহ জানালেও তাদের সব আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।

এদিকে শনিবার (২৯ আগস্ট) পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে নেপালে বন্যায় ৬২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৯৭৭ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ৩১টি দেশের ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

নেপাল পর্যটন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭৮ জন ভারতীয়। এছাড়া ৬৫ জন মার্কিন, ৫৩ জন ইউক্রেনীয়, ৩৫ জন অস্ট্রেলীয় এবং ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন।

বিদেশি নাগরিকদের বড় সংখ্যায় নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নেপালের উদ্ধার কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট করেছে। ফলে শুরুতে বিদেশি সহায়তা প্রত্যাখ্যান করলেও এখন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিদেশি দক্ষতা কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.