কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ আজ শনিবার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুই দেশের দূতাবাসের সমন্বয়ে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ মরদেহগুলো বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে হস্তান্তর করবে। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
বেনাপোল দিয়ে দেশে আসতে যাওয়া পাঁচজন হলেন কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল এলাকার বাসিন্দা ও দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত, দেবাশীষের শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার আহমেদ বাবু। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন।
গত ১৮ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগে। এতে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জন নিহত হন। নিহত অন্য দুজন ভারতের নাগরিক।
অগ্নিকাণ্ডের পর ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন।
এদিকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ইতোমধ্যে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছেছে। আর কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের অপেক্ষায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা গতকাল শুক্রবার থেকেই বেনাপোল স্থলবন্দরে অবস্থান করছেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.