যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজ থেকে তারা ‘কোনো’ ধরনের ফি নেবে না।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ভুয়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত উদ্বেগজনক প্রতিবেদনগুলোর বিপরীতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে যে, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে কোনো টোল, বীমা ফি বা অন্য কোনো ধরনের ফি নেওয়া বা সংগ্রহ করা হবে না’। যদি এই তথ্য মিথ্যা হয়, তাহলে আলোচনা অবিলম্বে শেষ হয়ে যাবে।
তিনি আরো লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কোনো অর্থ দেয়নি বা ইরানের সম্পদও মুক্ত করেনি। আমাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থের একটি অংশ আমরা মুক্ত করব, যাতে তা দিয়ে আমাদের নিজস্ব কৃষক ও খামারিদের কাছ থেকে ভুট্টা, গম, সয়াবিন এবং অন্যান্য পণ্য কেনা যায়। ইরান খাদ্যের তীব্র সংকটে রয়েছে এবং আমরা এই খাদ্য শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকেই তাদের জন্য কিনব।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট আজ আবারও বলেছেন যে, জব্দ করে রাখা ইরানি সম্পদের “একটি বড় অংশ” ব্যবহার করা হবে “খাদ্য ও ওষুধের” জন্য।
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম দফা আলোচনার পর ইরান জানায়, তাদের জব্দ বা সীমাবদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য কেনার বিষয়টি অস্বীকার করে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রাণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে কোনো ফি নেবে না। এই সময়ের পর ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তির ভিত্তিতে নৌচলাচল ‘সেবা’, নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ফি আরোপ করার কথা বলছে ইরান।
এদিকে, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এটি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ। কোনো দেশই একটি আন্তর্জাতিক জলপথে টোল বা ফি আরোপ করতে পারে না। এটি বিদ্যমান আন্তর্জাতিক আইনের অংশ।
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলপথ নয় এবং এটি ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমার অন্তর্ভুক্ত।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.