অনলাইন জুয়া, হুন্ডি এবং মানি লন্ডারিংয়ের মতো আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার ডিস্ট্রিবিউটরদের নিয়ে চারটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে বিকাশ।
রোববার (২১ জুন) কোম্পানিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মাঠপর্যায়ে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত লেনদেন নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী, রিজিওনাল সেলস টিম ও ডিস্ট্রিবিউশন ফিল্ড ফোর্সসহ প্রায় ১৬ হাজার কর্মীকে এই সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মতবিনিময় সভায় এজেন্ট নেটওয়ার্ক পরিচালনায় আর্থিক লেনদেনে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ, টাকার উৎস সম্পর্কে সচেতনতা, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং, নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ, কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ, নন-কমপ্লায়েন্ট এজেন্ট ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিকাশের হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড রিটেইল বিজনেস ইরফানুল হক।
এ সময় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার বিজনেস হেড, রিজিওনাল ম্যানেজার এবং এরিয়া ম্যানেজাররাও উপস্থিত ছিলেন।
দেশজুড়ে বিস্তৃত বিকাশের এজেন্ট নেটওয়ার্ক সব শ্রেণির মানুষের কাছে সেবা সহজলভ্য করে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিকাশের চ্যানেল পার্টনার হিসেবে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি এজেন্ট নিয়ে গড়ে ওঠা এই শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানগুলো।
তারা শুধু এজেন্টদের ব্যবসা পরিচালনা তদারকিই নয়, বরং প্রশিক্ষণ, লেনদেনের সঠিকতা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহকসেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত সহায়তা ও নির্দেশনা প্রদান করে থাকে।
সভায় অংশগ্রহণকারী ডিস্ট্রিবিউটররা কমপ্লায়েন্স মেনে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে কীভাবে ঝুঁকিমুক্ত থেকেছেন, সে বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা জানান, কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে বিকাশের বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যবসা পরিচালনায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
এ সময় অনলাইন জুয়া, হুন্ডি ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে নজরদারি বৃদ্ধি, সময়মতো রিপোর্টিং এবং সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.