এক দিনে ২ বার কমল স্বর্ণের দাম

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত হওয়ার সর্বশেষ ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে মার্কিন উৎপাদক মূল্য বৃদ্ধির তথ্যে। মুদ্রাস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি ও সুদের হারের অনিশ্চয়তার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো হ্রাস পেয়েছে। মূলত যুদ্ধজনিত মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ ও সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা কমে যাওয়ায় মূল্যবান এই ধাতুর বাজারে মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) স্পট গোল্ডের দাম দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স চার হাজার ৬৮৬.৯৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। রুপার দাম ০.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৮৬.৭০ ডলারে নেমে এসেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ০.৩ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

স্বর্ণের এই দরপতনের পেছনে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার ও শুল্ক নীতির বড় প্রভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল মাসে ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দীর্ঘ সময় সুদের হার উচ্চ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা স্বর্ণের মতো অ-ফলনশীল সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভোক্তা দেশ ভারত স্বর্ণ ও রুপার ওপর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করায় বিশ্ববাজারে চাহিদা হ্রাসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি চাঙ্গা করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকের দিকেও গভীর নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা, যা বাজারের বর্তমান স্থিতিকে প্রভাবিত করছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.