দেশের ছয় জেলায় বজ্রাঘাতে অন্তত আট কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের প্রায় সকলেই মাঠে ধান কাটার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে নওগাঁয় তিন জন, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও নাটোরে একজন করে মারা যান।
বুধবার (৬ মে) দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে একের পর এক এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নওগাঁর নিয়ামতপুর এবং মহাদেবপুর উপজেলায় বজ্রাঘাতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে নিয়ামতপুরের চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এবং হাজিনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। তবে তার নাম পরিচয় জানা যায়নি।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ওবায়দুল হক (৫৪) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে উপজেলার বদিজামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওবায়দুল ওই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের ভোটমারী ইউনিয়নের ভুল্যারহাট এলাকায় ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে ইউসুফ আলী (৩৮) নিহত হন। কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওসমান গনি বিষয়টি জানান।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে আব্দুর রাশিদ (৬২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। খারুয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কদ্দুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে সোহেল মিয়া (৩০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাটোরের লালপুরে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে আজিজ মন্ডল (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের নওসাড়া সুলতানপুর চরে এ ঘটনা ঘটে। আজিজ মন্ডল ওই গ্রামের মোসলেম মন্ডলের ছেলে। লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি জানান।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.