হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিভিন্ন ধরনের আমদানি পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কাস্টম হাউস।
বিমানবন্দরের কর্মউপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি হ্রাস, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশের আলোকে প্রথম নিলামে সংরক্ষিত মূল্যের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। ফলে কোনো লটের বিপরীতে প্রাপ্ত দরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছেই সংশ্লিষ্ট পণ্য বিক্রি করা হবে।
আগ্রহী ক্রেতারা ১৯ জুন সকাল ৯টা থেকে ২ জুলাই দুপুর ১টা পর্যন্ত অনলাইনে নিবন্ধন ও বিডিংয়ের মাধ্যমে নিলামে অংশ নিতে পারবেন। এ জন্য কাস্টমসের ই-অকশন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। প্রতিযোগিতা বাড়াতে বিডারদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগও রাখা হয়েছে।
তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশের প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে।
অংশগ্রহণকারী বিডারদের তথ্য আগামী ২ জুলাই প্রকাশ করা হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, বিমানবন্দরের গুদামে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তি করা গেলে একদিকে যেমন সংরক্ষণ ব্যয় কমবে, অন্যদিকে গুদাম ব্যবস্থাপনায় গতি আসবে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিও হ্রাস পাবে।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.