চীনের বৃহৎ প্রদর্শনীতে থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মেলা ও প্রদর্শনী “দ্য টেন্থ চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো অ্যান্ড দ্য থার্টিয়েথ চায়না কুনমিং ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার-২০২৬” আজ ১১ জুন চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং এ শুরু হচ্ছে। এ মেলা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় এবং কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং এর সহযোগিতায় এবছর বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছে।

বুধবার (১০ জুন) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কুনমিং এর দিয়ানছি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশ হতে ২৩০০ এক্সিবিটর অংশগ্রহণ করবে।

এ বছর মেলায় বাংলাদেশ থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করছে। ০৬ (ছয়) দিনব্যাপী আয়োজিত “দ্য টেন্থ চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো অ্যান্ড দ্য থার্টিয়েথ চায়না কুনমিং ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার-২০২৬” মেলার উদ্বোধনী দিনে থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন এবং মূল মেলার উদ্বোধন হবে। মেলার দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশ ডে পালন করা হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানসমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া ইউনান প্রদেশের গভর্নর ও অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশ ডে-তে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে টেক্সটাইলস, আরএমজি, ফার্মাসিউটিক্যালস, লেদার, সিরামিক, জুট, প্লাস্টিক, ইলেকট্রনিকস গুডস অ্যান্ড লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টস অ্যান্ড নন-ট্র্যাডিশনাল আইটেমস লাইক সিডস, প্রসেসড ফুডস, এগ্রিকালচারাল প্রোডাক্টস, হ্যান্ডিক্রাফটস সেক্টরের পণ্যাদি প্রদর্শিত হচ্ছে।

প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহ সারা বিশ্ব হতে মেলায় আগত আগ্রহী দর্শনার্থী/ক্রেতা/বিপণনকারী এবং পাইকারি-খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং বি-টু-বি নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলবেন। ছয় দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের উদ্যমী উৎপাদক, রপ্তানিকারক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশগ্রহণ এবং বি-টু-বি নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে চীনের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে এবং পণ্যাদি রপ্তানিতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিগণ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.