প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমরা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না। জাতীয় নির্বাচন যেভাবে গুরুত্ব দিয়ে আমরা সম্পাদন করেছি, একইভাবে স্বচ্ছতার সাথে এই নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। এই নির্বাচনে কোন অংশেই কম প্রস্তুতি নিয়ে আমরা কিন্তু মাঠে নামিনি।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার কমিশনার ও ইসি সচিব। পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
সিইসি বলেন, আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। সবকিছু সবার কাছে দৃশ্যমান করতে চাই। কোনো নেতিবাচক খবর আমরা পাইনি। সকাল থেকেই ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসছেন এবং বিভিন্ন বাহিনীর টহলও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তদারকি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
কমিশন নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও সবার কাছে দৃশ্যমান করার পাশাপাশি ভোটের লড়াইকে উৎসবে পরিণত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। সিইসি বলেন, অগ্রিম যেসব অভিযোগ তারা ( ১১-দলীয় জোট) করেছে , সেগুলো আমলে নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সব ধরনের তৎপরতা বাড়িয়েছে কমিশন। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তারা অভিযোগকারীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
সিইসি বলেন, শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, দেশের প্রতিটি নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সবার সহযোগিতায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে মাঠপর্যায়ে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-সহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী ও সংস্থাকে তাদের অর্পিত নির্বাচনী দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ঢাকা থেকে পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.