সহিংসতায় উত্তাল ফ্রান্স, একাধিক শহরে কারফিউ

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাব্যবস্থার সংকট ও জনসেবার মান নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ফ্রান্সজুড়ে সহিংস রূপ নিয়েছে। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্যারিসসহ কয়েকটি বড় শহরে আংশিক কারফিউ ও জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। সহিংসতার ঘটনায় দুই হাজার ৩০০ জনের বেশি গ্রেপ্তার এবং প্রায় এক হাজার নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থতা ও আগাম প্রস্তুতির ঘাটতির কথা স্বীকার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ পদত্যাগের প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। একই সঙ্গে গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান ও সহিংসতা দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকসংকটের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলনে ২০১৮ সালের ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনকারীরা যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এই সহিংসতা ফরাসি সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.