জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে জাইমা রহমানের নিয়োগে সরকারের ‘ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই’ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীর বা মিস্টার খলিলুর রহমানের অফিসে তো ওনার চাকরি হয়নি। ওনার চাকরি হয়েছে জাতিসংঘে, ইউনাইটেড নেশন জেনারেল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্টের অফিসে এবং এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে বাংলাদেশের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি জানান, জাতিসংঘের এক্সিকিউটিভ অফিস ও হিউম্যান রিসোর্সেস বিভাগ তাদের নিজস্ব নিয়ম, বিধিবিধান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিয়োগ দেয়। জাইমা রহমানের ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই হয়েছে। যে কেউ চাইলে জাতিসংঘে সেটা চেক করে দেখতে পারেন। আপনারা যদি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটেও যান, সেখানে কিন্তু এ বিষয়গুলো ক্লিয়ারলি দেওয়া আছে। উনি নিজে এই পজিশনে অ্যাপ্লাই করেছেন এবং নিজ যোগ্যতায়, নিজ মেধার ভিত্তিতে পেয়েছেন। সেটা হলো পিথ্রি পজিশন। পিথ্রি মানে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা লাগে। এটা মিড লেভেল প্রফেশনাল পজিশন, যার জন্য পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, জাইমা রহমানের প্রোফাইল ওই পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় তিনি এ নিয়োগ পেয়েছেন। অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেকে জাতিসংঘে ডেলিগেশনের অংশ হতে চাইতেন। কিন্তু জাইমা রহমান পুরোপুরি নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতায় জাতিসংঘে কাজ করছেন।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.