বন্ড সুবিধার ৮১ টন ডুপ্লেক্স বোর্ড নয়াবাজারে বিক্রির সময় জব্দ

বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা প্রায় ৮১ টন ডুপ্লেক্স বোর্ড নির্ধারিত গন্তব্য খুলনায় না নিয়ে পুরান ঢাকার নয়াবাজারে বিক্রির সময় জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে বিক্রির সময় কাগজ বোঝাই ট্রাকগুলো আটক করা হয় বলে শনিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানায়, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ডুপ্লেক্স বোর্ডের চালানগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খুলনায় যাওয়ার কথা ছিল। এ জন্য স্বাভাবিক বাইপাস রুট হিসেবে কাঁচপুর–সাইনবোর্ড–পোস্তগোলা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে খুলনায় যাওয়ার কথা। কিন্তু ১০টি ট্রাকের বহর নির্ধারিত রুট থেকে বিচ্যুত হয়ে পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় প্রবেশ করে। সেখানে বন্ড সুবিধায় আনা কাগজগুলো আড়তে বিক্রির প্রস্তুতি চলছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়।

ওই তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা নয়াবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ট্রাকগুলো কাস্টমস গোয়েন্দার নজরদারির বিষয়টি টের পেয়ে একটি ট্রাক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে বিক্রির প্রাক্কালে আরেকটি ট্রাক আটক করা সম্ভব হয়।

প্রাথমিকভাবে আটক ট্রাকে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ডুপ্লেক্স বোর্ড পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে বহরটিতে প্রায় ৮১ টন কাগজ ছিল বলে জানা গেছে। বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য নির্দিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের কথা। এ ধরনের পণ্য অনুমোদিত গন্তব্যের বাইরে খোলা বাজারে বিক্রি বা স্থানান্তরের মাধ্যমে শুল্ক-কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি হয়। ঘটনাটি তদন্ত করছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

অভিযানে আটক পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ, আমদানিকারক, সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্ড সুবিধার আওতায় পণ্য আনার নথিপত্র এবং সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.