কুয়েতে পাঠানো হয়নি ২০ টন মাছ, নিলামে বিক্রি করবে টিসিবি

কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য কেনা গলদা, বাগদা চিংড়ি ও রূপচাঁদাসহ ২০ মেট্রিক টন মাছ নানা জটিলতায় পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফলে এসব মাছ নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

টিসিবি গত ১৮ আগস্ট এ বিষয়ে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সরকারি উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এসব মাছ কেনা হয়েছিল। এর মধ্যে ১০ মেট্রিক টন গলদা চিংড়ি এবং ৫ মেট্রিক টন করে বাগদা চিংড়ি ও রূপচাঁদা রয়েছে।

তবে কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে মাছ পরিবহনের জন্য ফ্লাইট পাঠানো নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় সেগুলো আর পাঠানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মাছগুলো খুলনার ট্রাস্ট সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রসেসিং প্ল্যান্টে সংরক্ষিত রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এগুলো নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

টিসিবি জানিয়েছে, নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৫ আগস্টের মধ্যে আবেদন করতে হবে। একজন অংশগ্রহণকারীকে ন্যূনতম ৫০০ কেজি মাছ কিনতে হবে। নিলামে অংশগ্রহণের জন্য ফেরতযোগ্য ১৫ হাজার টাকা জামানতও দিতে হবে।

নিলামে অংশগ্রহণকারীরা ২৩ ও ২৪ আগস্ট মাছের নমুনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন। নিলাম সম্পন্ন হওয়ার পর তিন কার্যদিবসের মধ্যে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এরপর পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে মাছ বুঝে নিতে হবে।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.