অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছে। তাদের মোবাইল আসক্তি থেকে বের করে খেলার মাঠে নিয়ে আসতে হবে। সেইসাথে সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে। খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন হিসেবে দেখলে হবে না, এটিকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ক্যারিয়ার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লাখ লাখ মানুষ সম্পৃক্ত। তাই স্পোর্টস ইকোনমিকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত ‘শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধু বই পড়ার মধ্য দিয়ে একটি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। সুস্থ ও দক্ষ নাগরিক তৈরিতে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের খেলার মাঠ, খেলোয়াড় এবং ক্রীড়াঙ্গন নানা দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। স্কুল পর্যায় থেকেই শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। এই স্কুলের ছেলেমেয়েরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে হবে। কারণ একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত বিকাশ প্রয়োজন।
ক্রীড়া সংগঠকদের উদ্দেশ্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে দলাদলি ও বিভাজন পরিহার করে খেলাধুলার উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যারা খেলাধুলাকে ভালোবাসেন, তাদের ক্রীড়ার উন্নয়নে এবং যারা সংস্কৃতিকে ভালোবাসেন, তাদের সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখতে হবে। বাসস



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.