পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণের আবেদনে সম্মতি দিয়েছে। গত ২৯ জুলাই আদালত এই সম্মতি দিয়েছেন।
কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে একীভূতকরণ বিষয়ে একটি পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। একই দিনে ওয়ালটন হাই-টেকের ৪৬তম পর্ষদ সভায় একীভূতকরণ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ২১ মে অনুষ্ঠিত ওয়ালটনের বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) মার্জারের বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নেওয়া হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, একীভূতকরণ বাস্তবায়িত হলে ওয়ালটন হাই-টেকের পণ্য লাইন আরও শক্তিশালী হবে। বর্তমানে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, পিসিবি, ইলেকট্রিক বাইকসহ ১২৩ ধরনের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরে ওয়ালটন ডিজি-টেকের পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩০ কোটি টাকা, নিট রাজস্ব ৯১৫.৮০ কোটি টাকা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা ৪.০৯ কোটি টাকা। একই সময়ে ওয়ালটন হাই-টেকের পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩০২.৯৩ কোটি টাকা, নিট রাজস্ব ৭,০৮২.২৫ কোটি টাকা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা ১,০৩৬.৬২ কোটি টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওয়ালটনের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে। একীভূতকরণের মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা, বিপণন নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।আন্তর্জাতিক বাজার
তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.