মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধা পেরিয়ে এবং ট্রাক সরিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। তবে হবিগঞ্জের মিরপুর এলকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ নেতারা রাস্তায় বসে পড়েন।
এ সময় পুলিশকে উদ্দেশ করে নাহিদ ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা কেন আমাদের গাড়ি আটকে দিয়েছেন? আমরা হবিগঞ্জ যাবো। সেখানে আমরা মামলা করবো।’
তিনি আরও বলেন, আমরা বলেছি- যেহেতু ১৪৪ ধারা জারি করেছে, আমরা আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ সব কিছুকে সহযোগিতা করে শুধু যাবো, মামলা করবো, আহতদের দেখবো, তাদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে আমরা চলে আসবো। প্রয়োজনে আপনারা (পুলিশ) যতজন বলবেন আমরা ততজন যাবো। আমাদেরকে সহযোগিতা করুন, আমরা এখানে কোনো অশান্তি চাই না। এখানে কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি নেই। তারা (পুলিশ) আমাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তারা আমাদের যেতে দেবে না।
এর আগে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টার কিছু পরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পথিমধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলার চা-কন্যা এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর থামিয়ে দেয়।
এ সময় গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সাথে কথা বলতে দেখা যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুকে। এতে প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে অবস্থান করতে হয় এনসিপি নেতাকর্মীদের। পরে বিকেল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর পুনরায় হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার শ্রীমঙ্গল সার্কেল মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকালের হামলার প্রতিবাদে আজ হবিগঞ্জে প্রতিবাদ সমাবেশ ডেকেছে এনসিপি। সেখানে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে সরকার।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.