দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় আধুনিক, নিরাপদ ও শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বরিশাল এলাকার ৮২টি এজেন্ট আউটলেটের মালিক, ১০টি লিংক শাখার ব্যবস্থাপক, আউটলেট ম্যানেজার এবং নির্বাচিত গ্রাহকদের অংশগ্রহণে এজেন্ট ব্যাংকিং মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠকের আয়োজন করেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
রোববার (২৬ জুলাই) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ২৩ জুলাই আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির এজেন্ট ব্যাংকিং ও ডিজিটাল ব্যাংকিং উইং-এর প্রধান এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মঠবাড়িয়া শাখার ব্যবস্থাপক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. এনায়েত ফকির এবং এজেন্ট ব্যাংকিং বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ইশতিয়াক হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল শাখার ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আব্দুশ শুকুর।
দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এজেন্ট আউটলেটের মালিক, শাখা ব্যবস্থাপক, আউটলেট ম্যানেজার এবং নির্বাচিত গ্রাহকরা তাঁদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাব্য সমাধান, আমানত বৃদ্ধির কৌশল এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং বিভাগের উদ্যোগে চালুকৃত ডিজিটাল দানবক্স, বাংলা কিউআর, ইসলামিক ওয়ালেট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এলিমেন্ট-এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ডিজিটাল পেমেন্ট কালেকশন মডিউলের মাধ্যমে কীভাবে আধুনিক, নিরাপদ ও ক্যাশলেস ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় আধুনিক ও শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি এজেন্ট, শাখা ব্যবস্থাপক ও আউটলেট ম্যানেজারদের সমন্বিতভাবে কাজ করে আমানত বৃদ্ধি, গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।
এসময় তিনি গ্রাহকদের এজেন্ট আউটলেটে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে লেনদেন সম্পাদন, সিস্টেম থেকে অটো-জেনারেটেড রসিদ সংগ্রহ এবং এসএমএস যাচাই করে লেনদেন নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতন করেন। পাশাপাশি বাংলা কিউআর, ডিজিটাল দানবক্স, ইসলামিক ওয়ালেট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং এলিমেন্টসহ ব্যাংকের বিভিন্ন ডিজিটাল চ্যানেল ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাশলেস ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে সকলকে উৎসাহিত করেন।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আধুনিক ও শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরে মোনাজাতের মাধ্যমে উঠান বৈঠক কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.