স্মাইল এশিয়ার মেডিকেল মিশনের সমাপ্তিতে ঢাকা ব্যাংকের গালা ডিনার

কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি স্মাইল এশিয়ার ৮ম ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল মিশন ইন ঢাকা-এর সফল সমাপ্তি উপলক্ষে গত ২২ জুলাই রাজধানীতে এক সেলিব্রেশন নাইট ও গালা ডিনারের আয়োজন করে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ উদ্যোগের প্রাউড সিএসআর পার্টনার হিসেবে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি স্মাইল এশিয়া, সাজিদা ফাউন্ডেশন ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সঙ্গে যৌথভাবে এ মানবিক উদ্যোগে অংশীদার হয়। পাঁচ দিনব্যাপী এ মেডিকেল মিশনে জন্মগত ঠোঁটকাটা (ক্লেফট লিপ) সমস্যায় আক্রান্ত ৭০ শিশুর বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং ইতিবাচক সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিতে ব্যাংকের অঙ্গীকার আরও একবার প্রতিফলিত হয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজ, সাজিদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদা ফিজ্জা কবির। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় সিঙ্গাপুর প্রজাতন্ত্রের হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি, স্মাইল এশিয়ার সেক্রেটারি-জেনারেল অভিমন্যু তালুকদার এবং সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক মো. এ. রাজ্জাক।

এ সময় ঢাকা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ—মো. মোস্তাক আহমেদ, এ এম এম মঈন উদ্দিন, আখলাকুর রহমান, শেখ আব্দুল বাকির, এস. এম. আবদুল্লাহ হিল কাফি ও মোকাররম হোসেন চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্মাইল এশিয়া, সাজিদা ফাউন্ডেশন ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের প্রতিনিধিরা, দেশি-বিদেশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী এবং কর্পোরেট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজ বলেন, এ ধরনের অংশীদারত্ব বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর পাশাপাশি মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার এক অনন্য উদাহরণ। তিনি বলেন, সমাজের কল্যাণ এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখে—এমন উদ্যোগে ঢাকা ব্যাংক ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি প্রধান অতিথি, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতের অংশীদারদের সহযোগিতা ও উপস্থিতির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

গত ১৮ থেকে ২২ জুলাই সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে অনুষ্ঠিত এ মেডিকেল মিশনে ১২০ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে ১০০ শিশুর জীবন পরিবর্তনকারী ক্লেফট সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সমাপনী এ আয়োজনের মাধ্যমে মানবিক এ উদ্যোগ সফল করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক চিকিৎসক দল, উন্নয়ন সহযোগী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত অবদানকে সম্মান জানানো হয়।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.