ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছাড়া সৌদির পারমাণবিক চুক্তি নয়: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করা পর্যন্ত সৌদি আরবের সঙ্গে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে না। বহু বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তির সঙ্গে নতুন শর্ত যুক্ত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং সৌদি কর্মকর্তারা আগে থেকেই জানতেন, ৩০ বছর মেয়াদি এই পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির অন্যতম শর্ত হলো সৌদি আরবকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। তবে এ বিষয়ে রিয়াদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য রূপরেখা ছাড়া তারা ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না। ফলে ট্রাম্পের নতুন অবস্থান দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক চুক্তির বাস্তবায়নকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি মার্কিন ঠিকাদারদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনো সুযোগ থাকবে না, ফলে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ঝুঁকিও থাকবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিয়োগ এবং পারমাণবিক সহযোগিতা–সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো হবে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.