শিক্ষার্থী বিক্ষোভে পুলিশি হামলার অভিযোগে জরুরি শুনানি নিল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

ভারতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর দিল্লি পুলিশের হামলার অভিযোগে দায়ের করা আবেদনের জরুরি শুনানির অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

বুধবার (২২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এ আবেদন গ্রহণে সম্মতি দেননি।

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে গড়ে ওঠা একটি সংগঠন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। ইতোমধ্যে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারাও শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন।

শুনানির সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষে এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতিকে জানান, পুলিশের কথিত বর্বরতার প্রমাণ হিসেবে তাদের কাছে ভিডিও রয়েছে এবং আদালতের কাছে সেই ভিডিও প্রদর্শনের অনুমতি চান।

জবাবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আমাদের সময় নষ্ট করবেন না এবং নিজের সময়ও নষ্ট করবেন না।” পরে তিনি আরও বলেন, “ভিডিও দেখার সময় আমাদের নেই।”

সিজেপি নামটির সূচনা হয় ২০২৬ সালের মে মাসে। এর কয়েক দিন আগে সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় তরুণদের ‘ককরোচ’ (তেলাপোকা) ও ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

এরপর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ওই মন্তব্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে গ্রহণ করে শাসক দল বিজেপির নামের আদলে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে একটি অনলাইন সংগঠন গঠনের ঘোষণা দেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠনটির অনুসারীর সংখ্যা বিজেপিকেও ছাড়িয়ে যায়।

আদালতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনজীবী যুক্তি দেন, আন্দোলনকারীরা জাতীয় পর্যায়ের ‘নিট’ পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিচালনা এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-এর সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে আনছেন।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.