ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার রূপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক মো. আবদুল মজিদকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবদুল মজিদ (৪৮) আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ান জারি করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত মজিদ লক্ষ্মীপুর সদর থানার কাফিলাতলি এলাকার বাসিন্দা।

মামলার বিবরণ ও দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রূপালী ব্যাংক রামগতি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আবদুল মজিদ ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাব নম্বর ও পেনশন বাবদ জমা হওয়া মোট ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৫ টাকা কৌশলে ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে দুদকের তদন্তে তার বিরুদ্ধে সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকা জালিয়াতি ও আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলে। তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন কর্মকর্তারা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

নোয়াখালী দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বলেন, দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪০৯ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৫ বছর- অর্থাৎ পৃথক তিন ধারায় দেওয়া আদেশ মিলে তাকে মোট ২৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.