পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার জন্য প্রদেয় মার্জিন ঋণের বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাব প্রকাশ করেছ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। স্টেকহোল্ডারসহ সংশ্লিষ্টদের মতামত পর্যালোচনার পর এটি চূড়ান্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।খসড়া সংশোধনীর উপর মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি থাকলে তা বিএসইসিতে পাঠানোর জন্য দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
নিচে সংশোধনী প্রস্তাবের প্রধান বিষয়গুলো উল্লেখ করা হল-
* মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ অনুপাত হবে ১:১। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন দিতে পারবে না সংশ্লিষ্ট ব্রোকারহাউজ বা মার্চেন্ট ব্যাংক।
* মূল বোর্ডের জি, এন ও জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানি এবং এসএমই বোর্ড, এটিবি বোর্ড ও ওটিসি প্ল্যাটফরমে থাকা কোনো কোম্পানির শেয়ার মার্জিনযোগ্য হবে না।
* মার্জিন নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।
* মার্জিনযোগ্য শেয়ারের সর্বোচ্চ মূল্য-আয় অনুপাত (পি/ই রেশিও) হবে ৩০। পিই রেশিও ৩০ এর বেশি হলে ওই শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়া যাবে না।
* কোনো কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ঋণাত্মক হলে, ওই শেয়ারেও মার্জিন দেওয়া যাবে না।
* সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ইপিএসের ভিত্তিতে পি/ই রেশিও নির্ণিত হবে। (পি/ই রেশি= সংশ্লিষ্ট শেয়ারের ক্লোজিং মূল্য/ নিরীক্ষিত ইপিএস)।
* পূর্ববর্তী বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হলে উক্ত কোম্পানির শেয়ার মার্জিন অযোগ্য হবে।
* ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পি/ই রেশিওর পরিবর্তে শেয়ারের মূল্য/ শেয়ারের বুক ভ্যালু (পি/বি) রেশিও বিবেচ্য হবে।
* ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শেয়ারের বুক ভ্যালুর ৩ গুন পর্যন্ত মার্জিন দেওয়া যাবে।
* বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) পর্যন্ত মার্জিনেবল।
* লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের ক্ষেত্রে গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিনের সর্বোচ্চ অনুপাত হবে ১:০.২৫।
* কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান তার প্রকৃত মূলধনের ৫ গুনের বেশি অর্থায়ন করতে পারবে না।
* কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান তার মার্জিন অর্থায়নের ২০ শতাংশের বেশি একক সিকিউরিটিজে অর্থায়ন করতে পারবে না।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.