সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মুসল্লা মসজিদ কমপ্লেক্সে জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। গতকাল তার মরদেহ বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সাধারণ মানুষের জন্য কফিনটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
এরপর সেখানে সাধারণ ইরানিদের ঢল নামে। তারা সেখানে সমন্বিত কণ্ঠে স্লোগান দেন। তাদের বলতে শোনা গেছে— “প্রতিশোধ প্রতিশোধ, আমরা হত্যা করব, আমরা হত্যা করব আমাদের ইমামের হত্যাকারীকে।”
এছাড়া “ডেথ টু আমেরিকা ও ডেথ টু ইসরায়েল” স্লোগানও দেন তারা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালিয়ে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করে। এ সময় তার সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও প্রাণ হারান।
দীর্ঘ প্রায় চার মাস তাদের মরদেহ অজ্ঞাত স্থানে রাখা হয়েছিল। গতকাল প্রথমবারের মতো কফিনবন্দি তাদের নিথর দেহগুলো প্রকাশ্যে আনা হয়।
বাবার শেষ বিদায়ে কেন নেই মোজতবা
সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে এতে উপস্থিত হননি তার ছেলে ও বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি।
জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি অব কাতার-এর সহযোগী প্রফেসর পল মুসগ্রাভ সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেছেন, কেন মোজতবা শেষ বিদায়ে নেই তা খুবই সহজবোধ্য।
তিনি বলেন, “ইরান ধরে নিয়েছে ইসরায়েল এই অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ায় নেতৃবৃন্দকে হত্যার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালাতে পারে। অতীতে ইরান এমন জানাজাকে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার জন্য ব্যবহার করেছে।”
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.