জেরুজালেমে দূতাবাস খুলল সোমালিল্যান্ড

জেরুজালেমে দূতাবাস খুলেছে সোমালিল্যান্ড। কয়েক মাস আগেই আফ্রিকার এই বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রটির স্বাধীনতাকে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল। সোমবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমালিল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস চালু করেছে।

এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, কসোভো, পাপুয়া নিউ গিনি, প্যারাগুয়ে ও ফিজির পর জেরুজালেমে দূতাবাস স্থাপনকারী অষ্টম দেশে পরিণত হলো সোমালিল্যান্ড।

ইসরায়েলে অধিকাংশ বিদেশি দূতাবাস তেল আবিবে অবস্থিত। কারণ, জেরুজালেমের মর্যাদা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অন্যতম স্পর্শকাতর ও বিতর্কিত বিষয়। গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলই প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে, যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তিনটি মূল ভিত্তির ওপর গড়ে তুলেছিলেন। সম্ভাব্য এই সমঝোতা সেই ভিত্তিগুলোকেই দুর্বল করে দিতে পারে।

নেতানিয়াহু বরাবরই নিজেকে ওয়াশিংটনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি দাবি করতেন, মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার মতামতের প্রভাব থাকে।

তবে ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সমঝোতা প্রক্রিয়ায় তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এমনকি তার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুর কিছু সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন, যা তার রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

অর্থসূচক/

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.