যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং থেকে ২০০ বিমান কেনার কথা নিশ্চিত করেছে চীন। গত সপ্তাহে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এই তথ্য জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানায়, এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ও প্রয়োজনীয় অন্য উপাদানের সরবরাহ নিশ্চয়তা দেবে। উভয় পক্ষ অক্টোবর মাসে হওয়া শুল্ক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর দিকে কাজ করবে এবং পরস্পরের কমপক্ষে ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর চেষ্টা করবে।
চীন সফরে ট্রাম্প বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতি আদায় করেন। এর মধ্যে ছিল বোয়িং বিমান ক্রয় এবং চীনের বাজারে মার্কিন কৃষকদের জন্য আরও প্রবেশাধিকার।
চীন ত্যাগ করার পর শুক্রবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, আমরা অনেক বড় বাণিজ্য চুক্তি করেছি, যার মধ্যে বোয়িংয়ের জন্য ২০০টিরও বেশি বিমান রয়েছে এবং ৭৫০টি বিমানের প্রতিশ্রুতিও পেয়েছি, যা হলে এটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্ডার।
বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কেলি অর্টবার্গ ট্রাম্পের সঙ্গে চীন সফরকারী মার্কিন প্রতিনিধিদলের অংশ ছিলেন। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক এবং এআই চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং।
বোয়িং এক বিবৃতিতে জানায়, চীন সফরটি অত্যন্ত সফল ছিল এবং আমরা বোয়িং বিমানের অর্ডারের জন্য চীনের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার আমাদের প্রধান লক্ষ্য অর্জন করেছি।



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.