ইরানের দাবিগুলোকে “যুক্তিসঙ্গত, দায়িত্বশীল এবং উদার” হিসেবে উল্লেখ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ।
একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “একতরফা ও অযৌক্তিক” দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে তেহরানের দেওয়া জবাবকে ডোনাল্ড ট্রাম্প “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” এবং ইরানকে প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত করে মন্তব্য করার পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই মন্তব্য করেন।
বাঘাই ইরানের কিছু দাবি তুলে ধরে বলেন, যা কিছু চাওয়া হয়েছে তার সবই ইরানের বৈধ অধিকার। এই অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ করা কি ইরানের অতিরিক্ত কোনো দাবি? এই অঞ্চলে ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে পাইরেসি বা জলদস্যুতা বন্ধের দাবি কি অন্যায্য? যেটিকে নৌ-অবরোধ বলা হচ্ছে, বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানের জনগণের সম্পদ ফেরত চাওয়া কী অন্যায়? হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের প্রস্তাব কী মাত্রাতিরিক্ত? কিংবা লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবি কি খুব বেশি চাওয়া?



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.