যেসব দেশ ও প্রতিষ্ঠান ইরানের জ্বালানি তেল কিনবে, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল বুধবার এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশকে জানিয়ে দিয়েছি যে কোনো দেশ যদি ইরানের কাছ থেকে তেল কেনে, কিংবা কোনো দেশের ব্যাংকে যদি ইরানি মুদ্রা পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।”
মূলত এর মাধ্যমে চীনকে সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। কারণ চীন ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। ইরানের মোট বিক্রিত তেলের প্রায় ৮০ ভাগ চীন কেনে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ব্যাপারটিকে সামনে এনেছেন। গত ১২ এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, “আমাদের বিশ্বাস, এই অবরোধের কারণে ইরানি তেল ক্রয়ে বিরতি দেবে চীন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে চীনের দুটি বড় ব্যাংককে চিঠি দিয়েছি। সেখানে বলেছি যে যদি আপনাদের কোনো ব্যাংক হিসেবে ইরানি মুদ্রা পাওয়া যায়, কিংবা কোনোভাবে আমরা প্রমাণ পাই যে আপনারা ইরানের অর্থপ্রবাহে ভূমিকা রাখছেন, তাহলে আপনাদেরও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।”
এদিকে এই অবরোধের মধ্যেই গতকাল বুধবার ইরানের তেলসম্পদ লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল পরিবহন অবকাঠামো এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ডজনেরও বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আনা হয়েছে নতুন নিষেধাজ্ঞায়।
অর্থসূচক/



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.