শরিফুলের বিবর্ণ দিনে ক্যান্ডির হার

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএলে) সময়টা ভালো যাচ্ছে না শরিফুল ইসলামের। জাফনা কিংসের পর গল মার্ভেলসের বিপক্ষেও বল হাতে খরুচে ছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। এদিন খরুচে বোলিংয়ের কারণে নিজের কোটাই পূরণের সুযোগ পাননি শরিফুল। ক্যান্ডি ফেলকন্সের হয়ে মাত্র ২ ওভার বোলিং করেছেন তিনি। আর তাতেই খরচ করেছেন ২৯ রান। ২ ওভারের মধ্যেই একটি ছক্কা ও তিনটি চার হজম করেছেন শরিফুল। আগের ম্যাচে ৩ ওভার বোলিং করে ৪৭ রান খরচ করে উইকেটশূন্য দিন কাটিয়েছিলেন এই পেসার। শুরুর দুই ম্যাচে দুটি করে উইকেট নিয়ে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।

যদিও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি এই পেসার। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করেছিল ক্যান্ডি। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝড় তুলেছিলেন নিরোশান ডিকওয়েলা ও অ্যালেক্স হেলস। দুজনে মিলে ওপেনিং জুটিতেই যোগ করেছিলেন ৭৬ রান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই শরিফুলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন ক্যান্ডির অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। তবে সেই ওভারে ১৫ রান করে অধিনায়ককে হতাশায় ডোবান এই পেসার। প্রথম বলটি করেন ওয়াইড। সঙ্গে বাই থেকে আসে আরও চার রান। পরের বলে তাকে বাউন্ডারি হাঁকান ডিকওয়েলা।

পঞ্চম বলে আরেকটি চার হজম করেন এই পেসার। এরপর ১৭তম ওভারে শরিফুলকে আবারও বোলিংয়ে ফেরান হাসারাঙ্গা। সেই ওভারে ডট দিয়ে শুরু করলেও পরে হেলসের তোপের মুখে পড়েন তিনি। একটি ছক্কা ও দুটি চারে সেই ওচারে আরও ১৪ রান দেন শরিফুল। আর তাতে জয়ের পথও সহজ হয়ে যায় গলের। দলটির হয়ে ডিকওয়েলা ২২ বলে ২৫ রান করে আউট হলেও হেলস খেলেন ৫৫ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংস। ১৩ বলে ১৬ রান আসে টিম সেইফার্টের ব্যাট থেকে। ভানুকা রাজাপাকশে করেন ২৬ বলে অপরাজিত ৫৬।

ক্যান্ডির হয়ে একটি করে উইকেট নেন হাসারাঙ্গা ও আন্দ্রে ফ্লেচার। এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ফ্লেচারের ৪৩ বলে ৬৯, দীনেশ চান্দিমালের ১৪ বলে ৩২ ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের ১৫ বলে ২৯ রানের ইনিংসে ১৮৭ রানের বড় পুঁজি পেয়েছিল ক্যান্ডি। গলের হয়ে প্রবাথ জয়াসুরিয়া ৩০ রানে নেন ৩টি উইকেট।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.