হারিকেনের কারণে বার্বাডোজেই আটকা রোহিত-কোহলিরা

১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। তাদের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকেরা। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ়‌ থেকে এখনও রওনাই দিতে পারেনি তারা।

২০১৩ সালের পর আইসিসির ইভেন্ট গুলোতে সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেনি ভারত। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে হারে দলটি। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে দলটি।

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। সেই সময় পর্যন্ত ভারতের অধিনায়ক ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তারপর ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারত হারে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দলটি হারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেভাবে কিছুই করতে পারেনি ভারত। এরপর রোহিতের নেতৃত্বে ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারে ভারত।

ঘরের মাঠে ২০২৩ বিশ্বকাপ পরাজয়ের গ্লানিও সহ্য করতে হয় রোহিতের ভারতকে। সীমিত ওভারে ব্যর্থতার পাশাপাশি ২০২১ এবং ২০২৩ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারে ভারত। এবার যেন সকল অপূর্ণতাই ঘুচিয়ে দিলো দলটি।

এদিকে হারিকেন ‘বেরিল’-এর কারণে বার্বাডোজ়েই আটকে রয়েছে ভারতীয় দল। আটলান্টিক মহাসাগরে তৈরি হওয়া এই হারিকেনের কারণে রবিবার বিকেল থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বার্বাডোসের বিমানবন্দরও। সেখান থেকেই ভারতীয় দলের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার কথা ছিল। এরপর দুবাই হয়ে ভারতের মাটিতে পা রাখার কথা ছিল রোহিতদের। কিন্তু এখন পরিস্থিতির কারণে সূচিতে বদল করতে হচ্ছে। গোটা দলকে চার্টার্ড বিমানে দেশে ফিরিয়ে আনা যায় কি না তা নিয়ে ভাবছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যদিও এই ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ফলে ভারতীয় দলে দেশে ফেরা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

এই ব্যাপারে বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র বলেছে, ‘বার্বাডোস থেকে ভারতীয় দলের নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা ছিল। সেখান থেকে দুবাই হয়ে ভারতে ফেরার কথা। এখন পরিকল্পনা হল, চার্টার্ড বিমানে সোজা দিল্লি ফিরে আসা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করার কথাও রয়েছে।’

ভারতের বিশাল বহরে ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, তাদের পরিবারের সদস্য এবং বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তা মিলিয়ে প্রায় ৭০ জন রয়েছেন। সবাইকে এক সঙ্গে ফেরাতেও বেগ পেতে হতে হচ্ছে বিসিসিআইকে।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.