দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার করা ৫৩১ রানের জবাব দিতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনের শুরুটা দারুণ করলেও শেষটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ।

এক উইকেটে ৫৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। জাকির হাসান ও তাইজুল ইসলাম দিনের শুরুটা করেছিলেন দারুণভাবে। শ্রীলঙ্কার দুই পেসার লাহিরু কুমারা ও বিশ্ব ফার্নান্দোর চ্যালেঞ্জ সামলে প্রতিরোধ গড়েছিলেন তারা।

প্রথম ঘণ্টায় কোনও উইকেটই হারায়নি বাংলাদেশ। কয়েকবার অবশ্য বিপদে পড়ার শঙ্কা ছিল জাকির-তাইজুলের। টানা লেংথ ও ব্যাক অব লেংথে বোলিং করেছেন লঙ্কান পেসাররা। এর মধ্যে দুইবার অবশ্য জাকিরের ব্যাটের বাইরের কানাও ছুঁয়ে যায় বল। যদিও স্লিপের ফিল্ডার পর্যন্ত বল আর পৌঁছায়নি। দ্বিতীয় দিনের শেষ দিকে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা তাইজুলও দারুণ খেলছিলেন। সকালেই অবশ্য শ্রীলঙ্কা তাদের প্রথম রিভিউ হারায়। জাকির হাসানের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন টিভি আম্পায়ারের কাছে পাঠালেও সেটা কাজে দেয়নি।

এক ঘণ্টা পার হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন জাকির। ৯৭ বলে আটটি চারে ক্যারিয়ারের পঞ্চম হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। যদিও এর একটু পরই ফার্নান্দোর দারুণ একটি ডেলিভারিতে ফিরে যান তিনি। ওভার দা উইকেট থেকে টানা বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারি করতে করতে একটি ডেলিভারি ভেতরে ঢুকিয়ে দেন ফার্নান্দো, তাতেই বোল্ড হন জাকির। আটটি চারে ১০৪ বলে ৫৪ রান করে ফিরেন এই ওপেনার। তাইজুলের সঙ্গে তার ৪৯ রানের জুটি ভেঙে যায়।

তারপর চটজলদি আরও দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রবাথ জয়সুরিয়ার ফুল লেংথ ডেলিভারিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেট ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশের অধিনায়ক ১১ বলে মাত্র ১ রান কর ফিরে যান।

১০৫ রানের মধ্যে তাইজুলকেও ফেরান ফার্নান্দো। অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হন তাইজুল। ফেরার আগে করেন ৬১ বলে ২২ রান। ৪ উইকেটে ১১৫ রান করে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। প্রায় এক বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে ব্যাটিংয়ে ভালো কিছু করতে পারেননি সাকিব আল হাসান। ২৩ বলে ১৫ রান করে আসিথা ফার্নান্ডোর বলে এলবিডব্লিউ হন। লঙ্কানদের আবেদনে আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেন বাঁহাতি ব্যাটার। কিন্তু আম্পায়ার্স কলে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাকে। ১২৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারালো বাংলাদেশ।

সাকিবের পরে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় বলে চার মেরে রানের খাতা খুলেছিলেন লিটন দাস। তিন বল খেলে একই ওভারে কুশল মেন্ডিসকে ক্যাচ দেন তিনি। ১৩০ রানে ৬ উইকেট নেই বাংলাদেশের।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.