টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর আভাসই দিয়েছিলেন এভিন লুইস ও এনামুল হক বিজয়। তবে সেটা অব্যাহত রাখতে পারেননি তারা দুজন। লুইসকে ফিরিয়ে খুলনার উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সামিত প্যাটেল। বাঁহাতি এই স্পিনারের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে থাকা আরিফুল হকের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১২ রান করা লুইস।
শুরুটা ভালো না হলেও তিনে নেমে বিজয়ের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক মেজাজে ছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা আফিফকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন বেনি হাওয়েল। ডানহাতি এই মিডিয়াম পেসারের বলে লেগ বিফোর হয়েছেন তিনি। রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি ১৬ বলে ২৪ রান করা আফিফের।
চারে নেমে টিকতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয়। সানজামুল ইসলামের ঝুলিয়ে দেয়া ডেলিভারিতে আউট হয়েছেন তিনি। বিপিএলের মাঝ পথে সিলেট দলে ডাক পাওয়া সানজামুলের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে ধরা পড়েছেন তিনি। এরপর খুলনাকে টানতে থাকেন বিজয় এবং হাবিবুর রহমান সোহান।
এক প্রান্ত আগলে রেখে ৫১ বলে হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন বিজয়। এদিকে শুরুতে দেখে শুনে খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রান তোলার গতি বাড়ান সোহান। শেষ ৫ ওভারে ৬৭ রান যোগ করেন সোহান ও বিজয়। তারা দুজনে গড়েন ৯৯ রানের জুটি। খুলনাকে ১৫৩ রানের পুঁজি এনে দেয়ার দিনে বিজয় ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে শেষ বলে আউট হওয়া সোহান করেছেন ৪৩ রান।
অর্থসূচক/এএইচআর



মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.