বিশ্বকাপের দল ঘোষণার নিয়মের সমালোচনা

বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণার জন্য ১৫ সদস্যের কোটা বেধে দিয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আইসিসির সেই নির্দেশনা মেনেই বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ১০ দল নিজেদের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। যদিও আইসিসির এই বিধি নিষেধের কারণে বিপাকে পড়তে হয়েছে বেশ কটি দলকে।

সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে সম্ভবত ইংল্যান্ডের। তারা ১৫ জনের কোটার জন্য দলে জায়গা দিতে পারেনি জেসন রয়কে। ইংল্যান্ডের সামনে সুযোগ ছিল হ্যারি ব্রুক অথবা রয়কে বেঁছে নেয়ার। তারা ব্রুককে নিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার স্টিভ হার্মিসন আইসিসির এই নিয়মের সমালোচনা করেছেন। যদিও আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী দলের সঙ্গে রিভার্ভ প্লেয়ার রাখার সুযোগ রয়েছে। যদি টুর্নামেন্টের মাঝ পথে কোনো ক্রিকেটার চোট পান তাহলে রিজার্ভ থেকে ক্রিকেটার দলে ভেড়াতে পারবে দলগুলো।

হার্মিসন নিজের মতামত জানিয়ে বলেছেন, ‘আপনি শুধু ১৫ জনের স্কোয়াড দিতে পারবে এবং এই বিষয়টা আমি বুঝতে পারছি না। ইংল্যান্ড ৯টি ম্যাচের মধ্যে ৮টি খেলবে ভিন্ন ভিন্ন ভেন্যুতে, ফ্লাইট, হোটেল এবং সবকিছু সেই অনুযায়ীই হয়েছে। ইংল্যান্ডের ১৫ জনের বেশি ক্রিকেটার প্রয়োজন ছিল।’

এই বিষয়টি ব্যাখ্যা দিয়ে হার্মিসন বলেন, ‘আপনি যদি ইংল্যান্ডের পেসারদের দিকে তাদের ১৫ জনের দলে মার্ক উড ও রিস টপলি আছেন, তারা দুজনই ইনজুরি প্রবণ যা আমরা অতীতে দেখেছি। নক আউটের আগে ৮টি ভেন্যুতে খেলা, ৮টি ভিন্ন বিমানে যেতে হবে এবং দেশের ভেতরের ফ্লাইটগুলো ভারতে বিজনেস ক্লাসের মতো না।’

এ প্রসঙ্গে হার্মিসন যোগ করেন, ‘একজন পেস বোলারের দৃষ্টিকোণ থেকে এটা খুবই ভয়ঙ্কর। সে কারণেই আমি মনে করি না ১৫ জনের স্কোয়াড যথেষ্ট। আমার মনে এটি ১৮ বা ২০ জনের হওয়া উচিত।’

বিশেষ করে তারা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আহমেদাবাদে প্রথম ম্যাচ খেলার পর দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে তাদের হিমাচল প্রদেশে যেতে হবে। ধর্মশালায় তাদের সেই ম্যাচের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ।

অর্থসূচক/এমএইচ/এএইচআর

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.