যে ১০ মাঠে হবে বিশ্বকাপ

এককভাবে এবারই প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চলেছে ভারত। ফলে নিজেদের এই আয়োজনকে সফল করতে কোনোধরনের ত্রুটি রাখছে না ভারতীয়রা। এরই মধ্যে সারা বিশ্বে শুরু হয়ে গেছে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উন্মাদনা। লড়াই হবে ১০ দলের। খেলা হবে ১০ ভেন্যুতে। সবগুলো দলের স্কোয়াড ঘোষণা হয়ে গেছে আগেই। সেই দল নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ এখনও চলছে। সেই তুলনায় এবারের বিশ্বকাপের ভেন্যু নিয়ে কমই আলোচনা হচ্ছে।

অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, নয়া দিল্লি
দর্শক ধারণক্ষমতা- ৫৫ হাজার

ম্যাচ- সাউথ আফ্রিকা বনাম শ্রীলঙ্কা (৭অক্টোবর), ভারত বনাম আফগানিস্তান (১১ অক্টোবর), ইংল্যান্ড বনাম আফগানিস্তান (১৫ অক্টোবর), অস্ট্রেলিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস (২৫ অক্টোবর) ও বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা (৬ নভেম্বর)।

ভারতের সবচেয়ে পুরাতন মাঠগুলোর একটি নয়া দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম। ভারত এর আগে তিনবার বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে ১৯৮৭, ১৯৯৬ ও ২০১১ সালে। প্রতিটি আসরেই ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে এই স্টেডিয়াম। এর আগে এই স্টেডিয়ামের নাম ছিল ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ান। ২০১৯ সালে এই মাঠের নামকরণ করা হয় ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির নামে।

অনেক ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী এই স্টেডিয়াম। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো অনীল কুম্বলের এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেয়ার কীর্তি। ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন এই ভারতীয় স্পিনার।

২০১৭-১৮ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটি হয়েছিল এই স্টেডিয়ামে। যদিও দ্বিতীয় দিনের মাথায় ম্যাচটি বাতিল হয়েছিল বৈরী পরিবেশের কারণে। এদিন ক্রিকেটাররা মুখোশ পরে খেলতে বাধ্য হয়েছিলেন ধোঁয়াশার কারণে। এ কারণে মাঠটির নামের পাশে কুখ্যাতিও যোগ হয়েছিল।

ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
ধারণক্ষমতা- ৬৮ হাজার

ম্যাচ- নেদারল্যান্ডস বনাম বাংলাদেশ (অক্টোবর ২৮), পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ (৩১ অক্টোবর), ভারত বনাম সাউথ আফ্রিকা (নভেম্বর), ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান (১১ নভেম্বর) ও দ্বিতীয় সেমি ফাইনাল (১৬ নভেম্বর)

অরুন জেটলি স্টেডিয়ামের মতো ইডেন গার্ডেন্সও ভারতের অন্যতম পুরাতন স্টেডিয়াম। কলকাতায় এই মাঠে একশোটিরও বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালও। সেই সঙ্গে নানা কারণে বিশ্ব ক্রিকেটে এই মাঠের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ এই স্টেডিয়ামকে ‘লর্ডস অব সাবকন্টিনেন্ট’ নামে আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি এই মাঠের তুলনা করেছিলেন লন্ডনের বিখ্যাত লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের সঙ্গে। হুগলি নদীর পাশের এই মাঠেই এবারের বিশ্ব আসরের ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৬ সাল থেকে ঘণ্টা বাজিয়ে খেলা শুরু করার চল শুরু হয় এই মাঠে।

মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, পুনে
ধারণক্ষমতা- ৩৭ হাজার

ম্যাচ- বাংলাদেশ বনাম ভারত (১৯ অক্টোবর), আফগানিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা (৩০ অক্টোবর), নিউজিল্যান্ড বনাম সাউথ আফ্রিকা (১ নভেম্বর), ইংল্যান্ড বনাম নেদারল্যান্ডস (৮ নভেম্বর) ও অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশ (১১ নভেম্বর)।

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্টেডিয়াম এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে। আগামী ১৯ অক্টোবর এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ বনাম ভারুত ম্যাচ। এই মাঠের নকশা করেছেন ব্রিটিশ স্থপতি স্যার মাইকেল হপকিংস।

যিনি যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাম্পাশায়ারের রোজ বোল স্টেডিয়ামেরও নকশা করেছিলেন। এই স্টেডিয়ামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। মাঠের নিচে বালির আস্তরণ ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বলে অতি ভারী বর্ষণের পরও অল্প পরিচর্যার পরই এখানে ম্যাচ শুরু করা সম্ভব।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু
ধারণক্ষমতা- ৪০ হাজার

ম্যাচ- অস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তান (২০ অক্টোবর), ইংল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা (২৬ অক্টোবর), নিউজিল্যান্ড বনাম পাকিসান (৪ নভেম্বর), নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা (৯ নভেম্বর) ও ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস (১২ নভেম্বর)।

এই স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয়েছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান এম চিন্নাস্বামীর নামে। এই মাঠে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বেশ কিছু ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী। এই মাঠেই ২০১১ সালের বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের কেভিন ও ব্রায়ান মাত্র ৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলে।

যা এখনও বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরি হিসেবে টিকে আছে। এই মাঠের সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা সৌরচালিত। এ কারণে অন্য মাঠগুলোর চেয়ে ভিন্ন এই মাঠটি। সেই সঙ্গে মনোরম কাবন পার্ক, কুইন্স রোড, কুবন এবং আপটাউন এমজি রোড পাশে থাকায় দর্শকদের অন্যতম পছন্দনীয় স্টেডিয়ামের একটি চিন্নাস্বামী।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বাই
ধারণক্ষমতা- ৩৩ হাজার

ম্যাচ- ইংল্যান্ড বনাম সাউথ আফ্রিকা (২১ অক্টোবর), সাউথ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ (২৪ অক্টোবর), ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা (২ নভেম্বর), অস্ট্রেলিয়া বনাম আফগানিস্তান (৭ নভেম্বর) ও প্রথম সেমিফাইনাল (১৫ নভেম্বর)।

ভারতের অন্যতম আইকনিক স্টেডিয়াম ধরা হয় ওয়াংখেড়েকে। এই মাঠকে বলা হয়ে থাকে ‘ক্রিকেট ক্যাপিটাল’। ২০১১ সালের ২ এপ্রিল মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ১৯৮৩ সালের পর ফের শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিল ভারত। ৪৯তম ওভারে লঙ্কান পেসার নুয়ান কুলাসেকারাকে ছক্কা মেরে মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারতকে জেতানোর মুহূর্ত ক্রিকেট রূপকথারই অংশ হয়ে গেছে। এই ঐতিহাসিক ম্যাচের ভেন্যু ছিল এই ওয়েংখেড়েই।

পুরো মাঠটিই লাল মাটিতে পরিপূর্ণ। এই মাটির প্রভাবের কারণে এই মাঠের উইকেটে একটু বেশি বাউন্স পেয়ে থাকেন পেসাররা। অতিরিক্ত বাউন্সের কারণে এই মাঠে পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন। এই মাঠের আরেকটি বিশেষত্ব রয়েছে। এই স্টেডিয়ামের ছাদ টেফলন ফ্যাব্রিক্সে তৈরি। ফলে এই ছাদ কংক্রিটের ছাদের তুলনায় হালকা এবং তাপ প্রতিরোধী। ফলে দর্শকরা দিনের ম্যাচগুলোতে বাড়তি প্রশান্তি নিয়ে খেলা দেখতে পারেন। ছাদ হালকা হওয়ার এর কোনো বিম সাপোর্টেরও দরকার হয়নি। এ কারণে গ্যালারির দর্শকরা কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই খেলা দেখতে পারেন।

চিন্দাবরাম স্টেডিয়াম, চেন্নাই
ধারণক্ষমতা- ৩৮ হাজার

ম্যাচ- ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া (৮ অক্টোবর), নিউজিল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ (১৩ অক্টোবর), নিউজিল্যান্ড বনাম আফগানিস্তান (১৮ অক্টোবর), পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান (২৩ অক্টোবর), পাকিস্তান বনাম সাউথ আফ্রিকা (২৭ অক্টোবর)।

এই স্টেডিয়ামটি অবস্থিত চেন্নাইয়ের মেরিনা বিচের পাশে। যে সমুদ্র সৈকতকে ধরা হয় বিশ্বের জন্যতম দৈর্ঘ্য সমুদ্র সৈকত। এই মাঠের আরেকটি নাম আছে চিপাক। সাধারণত এখানে স্পিন বান্ধব উইকেট হয়ে থাকে। যদিও ম্যাচের দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে ব্যাটাররাও সুবিধা পান এই মাঠের উইকেট থেকে।

১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত স্টেডিয়াম পূর্বে পরিচিত ছিল মাদ্রাজ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ড নামে। যদিও পরবর্তীতে এটি মুথিয়া আন্নামালাই চিদাম্বারাম চেত্তিয়ার নামে নামকরণ করা হয়। তিনি ছিলেন বিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি। ২০১১ বিশ্বকাপের আগে এই মাঠের ব্যপক সংস্কার হয়। ফলে মাঠের সুবিধা অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ
ধারণক্ষমতা- ১ লাখ ৩২ হাজার

ম্যাচ- ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ড (৫ অক্টোবর), ভারত বনাম পাকিস্তান (১৪ অক্টোবর), ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া (৪ নভেম্বর), সাউথ আফ্রিকা বনাম আফগানিস্তান (১০ নভেম্বর) ও ফাইনাল (১৯ নভেম্বর)।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম আকার এবং দর্শক ধারণক্ষমতার দিক দিয়ে বিশ্বকাপের সর্ব বৃহৎ। এই মাঠেই এবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনালসহ মোট ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার হাই ভোল্টেজ ম্যাচও।

মাঠটি বর্তমানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে রয়েছে। এর আগে এই মাঠটি মোতেরা স্টেডিয়াম বা সর্দার বল্লভভাই পাতিল স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। ২০২২ সালে গুজরাট টাইটান্স ও রাজস্থান রয়্যালসের মধ্যকার আইপিএল ফাইনালও অনুষ্ঠিত হয়েছে এই মাঠে। যে ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার মানুষ। যা কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক সংখ্যার রেকর্ড।

হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, ধর্মশালা
দর্শকধারণ ক্ষমতা- ২৩ হাজার

ম্যাচ- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান (৭ অক্টোবর), ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ (১০ অক্টোবর), সাউথ আফ্রিকা বনাম নেদারল্যান্ডস (১৭ অক্টোবর), ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড (২২ অক্টোবর) ও অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউজিল্যান্ড (২৮ অক্টোবর)।

এই মাঠটি ধর্মশালা স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি ধরা হয় হিমাচল প্রদেশকে। আকাশ ছোঁয়া পাহাড় ও পাহাড়ি অঞ্চল দেখতে প্রতিবছরই এই অঞ্চলে পাড়ি জমান লাখ প্রকৃতিপ্রেমী। পাহাড়ের বুক চিড়ে এখানেই গড়া হয়েছে এই স্টেডিয়ামটি। নয়নাভিরাম এই মাঠেই বাংলাদেশ আগামী ৭ অক্টোবর নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে। এ ছাড়াও এবারের বিশ্বকাপের আরও চারটি ম্যাচ হবে এখানে।

ইকানা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, লক্ষ্ণৌ
দর্শক ধারণক্ষমতা- ৫৫ হাজার

ম্যাচ- অস্ট্রেলিয়া বনাম সাউথ আফ্রিকা (১২ অক্টোবর), অস্ট্রেলিয়া বনাম শ্রীলঙ্কা (১৬ অক্টোবর), নেদারল্যান্ডস বনাম শ্রীলঙ্কা (২১ অক্টোবর), ভারত বনাম ইংল্যান্ড (২৯ অক্টোবর) ও নেদারল্যান্ডস বনাম আফগানিস্তান (৩ নভেম্বর)।

এই মাঠের পুরো নাম ভারতরত্ন শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী ইকানা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। যদিও ইকানা স্টেডিয়াম নামেই বেশি পরিচিত লক্ষ্ণৌয়ের এই মাঠটি। ২০১৭ সালে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় এই স্টেডিয়ামটি। ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে এই মাঠের পথচলা শুরু হয়। ভারতের অন্যান্য স্টেডিয়ামের তুলনায় এই মাঠের সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো এর দীর্ঘ সীমানা। ভেন্যুটি আইপিএলের দল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ও উত্তর প্রদেশ ক্রিকেট দলের ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

রাজীব গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম, হায়দরাবাদ
দর্শক ধারণক্ষমতা- ৩৯ হাজার ২০০

ম্যাচ- পাকিস্তান বনাম নেদারল্যান্ডস (৬ অক্টোবর), নিউজিল্যান্ড বনাম নেদারল্যান্ডস (৯ অক্টোবর) ও পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা (১০ অক্টোবর)। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে এই মাঠটি। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নামে এই মাঠের নামকরণ করা হয়েছে। হাই স্কোরিং ভেন্যু হিসেবে পরিচিতি রয়েছে এই স্টেডিয়ামের। উৎপলের পূর্ব উপশহরে ১৫ একর জমি জুড়ে বিস্তৃত এই স্টেডিয়ামে এক সঙ্গে ৩৯২০০ হাজার দর্শক এক সঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারেন। এই মাঠের উত্তরপ্রান্তের নামরকরণ করা হয়েছে ভারতের সাবেক ব্যাটার ভিভিএস লক্ষ্মনের নামে। আর প্যাভিলিয়ন এন্ডের নাম শিব লাল যাদব-এর নামানুসারে।

অর্থসূচক/এএইচআর

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.