বিসিসিসিআই-ইআরএফ রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ডের চুক্তি সই

ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) এবং বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।  শনিবার (২০ মে) রাজধানীর বিসিসিআই কার্যালয়ে সাংবাদিকতা পুরস্কারের এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

বিসিসিসিআইয়ের মহাসচিব আল মামুন মৃধা এবং ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

জানা যায়, ‘বিসিসিসিআই-ইআরএফ রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়ার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চলতি বছর সংগঠন দুটির উদ্যোগে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হবে।

এতে অংশগ্রহণকারীদের পাঁচটি বিষয়ের ওপর নিউজ কাভার করতে হবে। এগুলো হল: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তরের সুযোগ এআই, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ইত্যাদি), চীনের উচ্চমানের উন্নয়ন ধারণা বা নীতি বাংলাদেশকে কীভাবে সাহায্য করেছে, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই), অন্যান্য (যেমন নীল-অর্থনীতি, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিক্ষা, এবং আতিথেয়তা শিল্প ইত্যাদি)।

প্রতিটা ক্যাটাগরিতে ১ম, ২য় ও ৩য় পুরস্কারসহ মোট ১৫টি পুরস্কার থাকবে। পুরস্কার বিজয়ীরা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট পাবেন। পাশাপাশি প্রতি ক্যাটাগরির ১ম পুরস্কার বিজয়ীরা ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা ৭৫ হাজার টাকা এবং তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার পাবেন।

এই ধরনের উদ্যোগের পেশাগত তাৎপর্য পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিসিসিআইর মহাসচিব আল মামুন মৃধা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়গুলো মূল্যায়নে অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের আরও উৎসাহিত করবে।

ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম এই ধরনের রিপোর্টিং প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য বিসিসিআইর প্রশংসা করেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রচার এবং চীনা বিনিয়োগের সুযোগ খুজতে বিসিসিআইর সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

বিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি ব্রিগেডিয়ার মো. জেনারেল শাহ মো. সুলতান উদ্দিন ইকবাল বিপি (অব.) তার সমাপনী বক্তব্যে আগামী দিনে একসাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

অর্থসূচক/

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.