আশরাফুল না পারলেও আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছেন লিটন

ধারাভাষ্যকার হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় হার্শা ভোগলে। গত কয়েক দশক ধরে ধারাভাষ্যকারের পাশাপাশি ক্রীড়া বিশ্লেষক হিসেবেও সবার মন কেড়েছেন হার্শা। তরুণ এবং উঠতি ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার শুরুর আগেই আতশি কাঁচের নিচে আনেন তিনি। তাদের মধ্যে সম্ভাবনা কতটুকু আছে সেটা নিয়েও নিজের মতামত স্থাপন করেন তিনি। মোহাম্মদ আশরাফুলের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেও তার প্রশংসা করেছিলেন হার্শা। আশরাফুলকে উঠতি ক্রিকেটার হিসেবে লেটার মার্কস দিয়েছিলেন তিনি। যদিও আশরাফুল তাকে ভুল প্রমাণ করেছে। আশরাফুল ভুল প্রমাণ করলেও হার্শাকে সঠিক প্রমাণ করতে যাচ্ছেন লিটন দাস।

কিছুদিন আগেই টেস্ট ক্রিকেটে লিটনের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেন হার্শা। ‘লিটন ফুলের মতই সুভাষ ছড়িয়ে যাচ্ছে’- এমন টুইটও করেছিলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকানো লিটন যেন হার্শার আস্থার অনন্য প্রতিদান দিলেন। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪টি চার ও একটি ছয়ে ১১৪ বলে ১০২ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন লিটন। বাংলাদেশ ইনিংস পরাজয় এড়াতে না পারলেও হার্শার প্রশংসা কুঁড়িয়ে নিয়েছেন লিটন।

টুইটারে হার্শা লিখেন, ‘মাঝে মধ্যে আপনার ভালো অনুভূতি কাজ করবে, যখন দেখবেন আপনি যাদের নিয়ে বড় কিছু অনুমান করবেন, সেটা ঘটতে যাচ্ছে। কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে আমার অনুমান সঠিক ছিল না, কিন্তু লিটন দাসকে নিয়ে আমার অনুমান সঠিক হয়েছে বলেই মনে হয়। শাই হোপকে নিয়ে মিশ্র ফলাফল এসেছে। এখন দেখব কিগান পিটারসেনকে নিয়ে আমার অনুমান কতোটা কাজে দেয়। আমি যদি আরও পেছনে ফেরত যাই, তাহলে বলব মাইকেল ক্লার্ককে নিয়ে আমার অনুমানও সঠিক ছিল। অনুমান আশরাফুলের (মোহাম্মদ আশরাফুল) ওপর ভুল ছিল। রোহিত (রোহিত শর্মা) এবং রাহুলের (লোকেশ রাহুল) প্রতি অনুমান দারুণ ছিল, যেমনটা ছিল কেপি’র (কেভিন পিটারসেন) ক্ষেত্রে। উমর আকমলের প্রতি আমার অনুমান সঠিক ছিল না। এখন পর্যন্ত শুভমান গিল ও সাঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে আমার অনুমান মিশ্র ফলাফল দিয়েছে।’

টেস্টে লিটনের শেষ দশটি ইনিংস যেন হার্শার এই অনুমানকে আরও বেশি শক্তিশালী করে। শেষ দশ ইনিংসে লিটন যথাক্রমে ৮, ১৭, ৯৫, ১১৪, ৫৯, ৬, ৪৫, ৮৬, ৮ ও ১০২ রান করেছেন।

অর্থসূচক/এএইচআর

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
মন্তব্য
Loading...