ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে টাইগাররা

ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের দ্বিতীয় দিন ৬ উইকেট হারিয়ে ৫২১ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে বিপর্যয়ে পরেছে টাইগাররা। দলীয় ১১ রানের মধ্যেই বাংলাদেশ উপরের সারির ৪ উইকেট হারায়। এরপর দলীয় ২৭ রানে ফিরে যান লিটন দাসও। দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি কেউই। সাদমান ইসলাম (৭), মোহাম্মদ নাইম শেখ (০), নাজমুল হোসেন শান্ত (৪), মুমিনুল হক (০) ও লিটন ফেরেন (8) রান করে।

এরপর ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন ইয়াসির আলী রাব্বি ও নুরুল হাসান সোহান। এই দুজনে যোগ করেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ৪১ রানে সোহান সাউদির বলে এলবিডব্লিউ হলে এই জুটি ভাঙে।

এর আগে দিনের শুরু থেকেই দাপট দেখান বাংলাদেশের পেসাররা। এদিন শুরুতেই স্বাগতিকরা কনওয়ের উইকেট হারায়। ৯৯ রান তুলে অপরাজিত থাকা কনওয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ব্যক্তিগত ১০৯ রানে রান আউট হয়ে ফিরেছেন। এর খানির পরেই তাসকিন আহমেদকে ড্রাইভ করে চার মেরে ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন কিউই অধিনায়ক লাথাম। তিনি ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান ৩০৬ বলে। টেস্ট ক্যারিয়ারে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ডাবল সেঞ্চুরি করলেন লাথাম।

ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে নামা রস টেলরকে ফিরিয়েছেন এবাদত হোসেন। এই পেসারের ফুলার বল লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন টেলর। যদিও স্কয়ার লেগে সহজ ক্যাচ লুফে নেন শরিফুল ইসলাম। টেলর ফেরার পর ২০৮ রানে আউট হয়ে যেতে পারতেন লাথাম। যদিও তাসকিন তার ফিরতি ক্যাচ হাত ফসকেছেন অল্পের জন্য। যদিও হ্যানরি নিকোলসকে রানের খাতা খোলার আগেই নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান এবাদত।

এই পেসারের বলে ইন সাইড এজ হয়েছিলেন নিকোলস। যদিও আম্পায়ার শুরুতে আউট দেননি। মুমিনুল হক রিভিউ নিলে দেখা যায় বল ব্যাটে লেগে জমা পড়েছে নুরুল হাসান সোহানের হাতে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ৩ রান করা ড্যারিল মিচেলকে নিজের শিকার বানান শরিফুল। প্রথম সেশনে ৭৪ রান তুলতে গিয়ে ৪ উইকেট হারিয়েছে কিউইরা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর দ্রুত রান তুলতে থাকে কিউইরা।

অধিনায়ক টম লাথাম ২৫২ রান করে মুমিনুল হকের বলে ইয়াসির আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন টম ব্ল্যান্ডেল। ৫২১ রানে ইনিংস ঘোষণার সময় ব্ল্যান্ডেল ৫৭ ও কাইল জেমিসন ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

 

অর্থসূচক/এএইচআর

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
মন্তব্য
Loading...