বাংলাদেশের বিপক্ষে মিডল অর্ডারে ফিরছেন ওয়েড

0
77

টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময়ই ওপেনিংয়ে খেলেছেন ম্যাথু ওয়েড। মিডল অর্ডার কিংবা নিচের দিকে ব্যাটিং করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টপ অর্ডারে খেলেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তবে নিজের জায়গা পোক্ত করতে বাংলাদেশের বিপক্ষে মিডল অর্ডারে ফিরছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ওয়েড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনুমেয়ভাবেই ইনিংসের গোড়াপত্তন করবেন ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনে নেমে পুরো সিরিজে ২১৯ রান করায় বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাচ্ছেন মিচেল মার্শ। যে কারণে ইনজুরি কাটিয়ে স্মিথ ফিরলে টপ অর্ডারে জায়গা পাওয়া কঠিন হবে ওয়েডের জন্য। ফলে বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে মিডল অর্ডারে ফিরছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে ওয়েড বলেন, ‘এটি এমন একটি জিনিস যার জন্য আমি অপেক্ষা করছি। তিন বছর ধরে আমি টপে (টপ অর্ডার) আছি। মনে হয় যেকোন সময় আমাকে ডাকা হলে আমি ভালো করতে পারি। মিডল অর্ডারে ফিরে যাওয়া একটি চ্যালেঞ্জ, যা নিয়ে আমি রোমাঞ্চিত। যা কিছু করতে হোক না কেন এটি আমাকে ব্রিবত করে না।’

বাংলাদেশ সফরে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা ওয়েড আরো বলেন, ‘যখন বিশ্বকাপ আসবে তখন আমি টপ অর্ডারে ফিরে যেতে পারি বা মিডল অর্ডারেই থাকতে পারি। আমরা শতভাগ নিশ্চিত নই। মিচ (মিচেল মার্শ) যেভাবে তিনি ব্যাটিং করেছে তাতে টপ অর্ডারে আমাদের আরও একটি বিকল্প তৈরি হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন হলে সে ওপেনও করতে পারে। সম্ভবত আমরা কয়েকটা দৃশ্যের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। যেখানে ছেলেরা বিশ্বকাপের জন্য সেরা দল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ছয়ে ব্যাট করেছেন ওয়েড। ক্যারিয়ারের ৪৩ টি-টোয়েন্টির ১৯ ম্যাচে চার কিংবা তাঁর নিচে ব্যাটিং করেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পুরো ক্যারিয়ারে চারে বা তার নিচের ব্যাটিং করা ম্যাচে তাঁর স্ট্রাইক রেট ১১৭.৪০। যেখানে তাঁর পুরো ক্যারিয়ারের স্ট্রাইক রেট ১৩০.৭০। টপ অর্ডারে ব্যাটিং করেছেন এমন ম্যাচে ওয়েডের স্ট্রাইক রেট ১৪৪.৫৭।

তিনি আরো বলেন, ‘সৌভাগ্যক্রমে আমি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মিডল অর্ডারে অনেক খেলেছি, বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে। এমনকি টি-টোয়েন্টিও সম্ভবত আমার ইনিংসের ৫০-৫০ খেলেছি (মিডল অর্ডারে)। সম্ভবত সেখানে যাওয়ার এবং কাজ করার সুযোগ বেশি। আমি তিন বছর ধরে এটি করিনি তাই খানিকটা চ্যালেঞ্জিং। তবে এটা ভালো একটি সুযোগ।’

 

অর্থসূচক/এএইচআর