দেশের খাদ্য সংকট নিয়ে চিন্তিত কিম

দেশে খাদ্য সংকটের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ জুন) শাসকদল ওয়াকার্স পার্টির এক সভায় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

জনগণের জন্য খাদ্যের ব্যাপারটি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন কিম। তিনি বলেন, টাইফুনের কারণে দেশে বন্যা হয়েছে; যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি ব্যবস্থা।

করোনা মহামারিতেও দেশের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

উত্তর কোরিয়ায় ঠিক কী হয়, তার সবটা কখনোই জানা যায় না। কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, দেশটিতে দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়ে গেছে। ওদিকে করোনার কারণে সীমান্ত বন্ধ।

উত্তর কোরিয়া তাদের কৃষিখাতের জন্য চীনের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। সার, তেল থেকে শুরু করে অনেক খাদ্যদ্রব্য চীন থেকে আমদানি করেন কিম।

চীনের সঙ্গে এই সখ্যতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের বৈরী সম্পর্ক। অনেক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আছে তাদের ওপর।

সাম্প্রতিক বৈঠকে কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করলেও কোনো লাভ হয়নি।

গত এপ্রিলের আরেকটি বৈঠকে কিম তার কর্মকর্তাদের ১৯৯০ সালের দুর্ভিক্ষ এড়ানোর প্রস্তুতি নিতে বলেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের কারণে ওই সময় ভয়াবহ খাদ্য সংকট দেখা দেয় দেশটিতে। কত মানুষ তখন মারা গিয়েছিলেন, তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যা নেই। তবে ধারণা করা হয় ৩ মিলিয়নের মতো মানুষ প্রাণ হারান।

সূত্র: বিবিসি।

অর্থসূচক/কেএসআর

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.