সারাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মাসিক ফি ৫০০ টাকা

0
220

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের মাসিক ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। এখন থেকে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড) গতির ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ মূল্য হবে ৫০০ টাকা। এটি শহর, গ্রাম-সব জায়গার জন্যই প্রযোজ্য হবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, এখন থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে এটিসহ তিনটি ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের বেশি কেউ নিতে পারবে না।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ এমবিপিএসের মূল্য ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএসের মূল্য ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ জুন) ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ব্রডব্যান্ডের ট্যারিফ বা মূল্য নির্ধারণের এই কর্মসূচি ‘এক দেশ, এক রেট’কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

রোববার থেকে দেশজুড়ে নতুন এই সংযোগ ফি কার্যকর করার কথা জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন থেকে ব্রডব্যান্ড সংযোগের ক্ষেত্রে এই তিন প্যাকেজের নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম নেওয়া যাবে না, তবে কম নেওয়া যাবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটা আমাদের স্মরণীয় একটি দিন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে এটি অন্যতম একটি মাইলফলক।”

তিনি বলেন, “করোনা মহামারীর সময় ইন্টারনেটের গুরুত্ব সবাই উপলব্ধি করতে পেরেছেন। দেশের চরাঞ্চলে ও হাওড় এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হচ্ছে।”

বিটিআরসি সম্মেলন কক্ষ থেকে কমিশনের চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন টেলিযোগাযোগ সচিব আফজাল হোসেন।

সচিব বলেন, “এক দেশ এক রেট- একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতিহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া, ইন্টারনেটের দাম কমানো এবং শহরের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রামে নিয়ে যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আজ সেটির প্রতিফলন হতে যাচ্ছে।”

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান বলেন, “এক দেশ, এক রেট চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে। বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ খাত সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলোচনা অব্যাহত রেখে সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবে।”

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের এমন ট্যারিফ নির্ধারণের ফলে ইন্টারনেট সেবা প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে শৃংখলা ফিরে আসবে বলে মনে করেন কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র।