ভারতের পাতা ফাঁদ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় ইংল্যান্ড

0
103

ভারতের বিপক্ষে দিবা-রাত্রির তৃতীয় টেস্টে খুবই বাজেভাবে হেরেছে ইংল্যান্ড। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের পিচে প্রথম দিন থেকেই বল টার্ন করতে শুরু করে। ফলে উইকেটে থিতু হতে এবং রান বের করতে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের। ইংল্যান্ড নিজেদের দুই ইনিংসে অলআউট হয়েছে ১১২ এবং ৮১ রানে।

স্পিনের বিপক্ষে সবসময়ই দারুণ ব্যাট করা ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট দুই ইনিংসেই হয়েছেন ব্যার্থ। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে ঐ ম্যাচে মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি করতে পেরেছেন জ্যাক ক্রলি। ফলে তৃতীয় টেস্টে ভারতের কাছে তারা হেরেছে ১০ উইকেটের ব্যাবধানে। প্রথম টেস্ট জিতলেও পরের দুটিতে হেরে এখন সিরিজে ২-১ পিছিয়ে আছে সফরকারীরা।

এদিকে সিরিজের শেষ টেস্টটিও অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদে। এবারও যে ভারত স্পিন উইকেট বানিয়ে ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের কাবু করবে তা অজানা নয় বেন ফোকসের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আজ অনুশীলন করেছি এবং পিচের চেহারা দেখে আমি মনে করছি এটি আগের ম্যাচের মতোই হবে। আমি মনে করি না এতে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা জানি আমরা কী ধরণের উইকেট পেতে যাচ্ছি এবং আমি অনুমান করছি যে তারা আবারো কঠিন পিচ বানাতে যাচ্ছ। সেখানে প্রথম বল থেকে পিচে টার্ন করতে শুরু করবে। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে ভালো খেলার উপায় খুঁজে বের করতে হবে এবং সেটা চ্যালেঞ্জিং হতে চলেছে।’

তৃতীয় টেস্টের মতো দ্বিতীয় টেস্টেও ব্যার্থ হয়েছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। দুই ইনিংসে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ১৩৪ এবং ১৬৪। সেই ম্যাচটি তারা হেরেছিল ৩১৭ রানে। পরপর দুই টেস্টে এমন বাজেভারে হেরে নিশ্চিতভাবেই মনোবল ভেঙ্গে পড়ার কথা তাদের। তবে ফোকস বলছেন, ‘শেষ কয়েকটি ইনিংসে পরে নিজেদেরকে খুব বেশি হতাশ মনে হচ্ছে না। আমরা একটি ইতিবাচক এবং দূঢ় মানসিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করছি। কারণ আপনি যখন লড়াইয়ে নামবেন বিষয়গুলো খারাপভাবে যেতে পারে। তাই আমাদের উচিত দূঢ় মনোবল ধরে রাখার চেষ্টা করা, পরিকল্পনাগুলোতে লেগে থাকা এবং খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে বেশি ইতিবাচক হওয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভারতে ড্র করার মতো অবস্থানে রয়েছি। আমরা যদি এই শেষটি জিতি তবে সেটি আমাদের দুর্দান্ত অর্জন হতে লেছে। আমরা কী ধরণের পিচে খেলতে যাব এটি জানার পরেও পরিস্থিতি কঠিন হতে পারে। তবে আমরা শেষ ম্যাচে যা খেলেছি সেটার থেকে আমরা আরো ভালো খেলার চেষ্টা করছি।’

অর্থসূচক/এএইচআর